ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
আওয়ামী শাসনামলে বাংলাদেশ বেতারের লাগামহীন ব্যয়ে প্রচার হয়েছিল যেসব অনুষ্ঠান উচ্ছেদের পর বেকার জীবনে পরিবার নিয়ে দিশেহারা শাহজাদপুর ঝিলপাড়ের হকাররা টানা চার জয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখছে কলকাতা রাজধানীতে গণতন্ত্রী পার্টির গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত পোরশার ৫ নং ঘাটনগর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা কুড়িগ্রামে সদর উপজেলা বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বটিয়াঘাটার রাইঙ্গেমারিতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করিমগঞ্জের গুণধর ইউনিয়নে পুলিশিং কমিটি নিয়ে সংঘর্ষে আহত বিএনপি নেতা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাড়ালেন আনোয়ার কাজী বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে জেএসএস’র মানববন্ধন, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান

পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ

#

ইরফান হোসেন (পটিয়া প্রতিনিধি)

২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫,  2:20 AM

news image

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়া ঘিরে চরম অনিয়ম ও বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। ৩০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও লটারিতে মাত্র ২২০ জনকে সুযোগ দিয়ে বাকি আসনগুলো মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পূরণ করার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ ডিসেম্বর ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তির জন্য লটারি অনুষ্ঠিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী আসন সংখ্যার সমান শিক্ষার্থীকে লটারিতে সুযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষ প্রথম দফায় মাত্র ২২০ জনের তালিকা প্রকাশ করে। ১৫ থেকে ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে এই শিক্ষার্থীরা ভর্তি সম্পন্ন করেন। 

তবে গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) হঠাৎ করে ৮৮ জনের একটি ‘অপেক্ষমাণ তালিকা’ প্রকাশ করলে বিতর্কের সূত্রপাত হয়।

অভিযোগ উঠেছে, এই ৮৮ জন শিক্ষার্থীকে কোনো মেধা বা লটারির ভিত্তিতে নয়, বরং রাজনৈতিক তদবির ও বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, আসনপ্রতি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক অভিযোগ করেন, লটারিতে নাম না আসা সত্ত্বেও পরিচিত অনেকে অর্থের বিনিময়ে সন্তানকে ভর্তি করাতে পেরেছেন।

এদিকে, আসন খালি রেখে অপেক্ষমাণ তালিকার নামে এমন কর্মকাণ্ডকে অসৎ উদ্দেশ্য হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার বড়ুয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে পটিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাবুল কান্তি নাথ জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "প্রমাণসহ অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল করা হবে।"