জুয়েল রানা (চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি )
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 10:51 PM
কচুয়ায় ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বেসরকারি ভাবে বিজয়ী
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে চাঁদপুর-১ কচুয়া সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ন পরিবেশে এ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্প্রতিবার সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা এ আসনে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তাঁর গোবিন্দপুর গ্রামে নিজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী সকালে আশরাফপুর গ্রামে নিজ কেন্দ্রে ভোট দেন।
জেলার হেভিওয়েট আসন হিসেবে পরিচিত কচুয়ায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৮০ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৩৭০ জন ও মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৭০ হাজার ২০৭ জন ও হিজড়া ভোটার ৩ জন।
নির্বাচনে ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় মোট ভোট কেন্দ্র ১১০ টি। মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা ৬৩৬টি (তন্মধ্যে স্থায়ী ভোট কক্ষ ৬২২ ও ১৪টি অস্থায়ী)।
চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেন। প্রার্থীরা হচ্ছেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী (দাঁড়িপাল্লা), বৃহত্তর সুন্নি জোটের মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন মাহমুদ (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির মনোনিত প্রার্থী মো: হাবিব খান (লাঙ্গল) ও গণফোরামের প্রার্থী মুহাম্মদ আজাদ হোসেন (উদীয়মান সূর্য)।
তার মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৩২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩শত ৬৮ ভোট। এই আসনে ড. আনম এহসানুল হক মিলন ৬২ হাজার ৬শত ৬৪ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন।
উল্লেখ্য যে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি ৩ বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০১-২০২৬ সাল পর্যন্ত তৎকালিন সময়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নকল প্রতিরোধ করে সারা দেশে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন।