ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ইউএনও'র দায়িত্বে সানজিদা আক্তার শ্রীমঙ্গল লোকালয় থেকে 'হেলে সাপ' উদ্ধার বড়লেখায় ব্রাকের উদ্যোগে ২৫০ জন কিশোরীকে হাতে কলমে প্রশিক্ষন কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ জনের জেল ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা গাজীপুরে সপ্তাহব্যাপী ফ্রি জলাতঙ্ক টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন পোরশার ছাওড় ইউনিয়ন পরিদর্শনে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা দিনের আলোয় অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বর্নালংকার ছিনতাই গাজীপুরে প্রতারক হাবিবের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন ভোলায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭২০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

এক হাসিতেই জীবন খুঁজে পেল নতুন ঠিকানা

#

নিশাত শাহরিয়ার

০১ মে, ২০২৬,  5:44 AM

news image

ময়লা শার্ট, হাতে চায়ের কাপ আর এক কিশোরের প্রাণখোলা হাসি-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই চোখে পড়ে এমন দৃশ্য!

অগণিত মিম, ট্রল আর রিলসের কল্যাণে এই মুখটি এখন বিশ্বজুড়ে পরিচিত। কিন্তু পর্দার পেছনের এই মানুষটির পরিচয় বা তার বর্তমান অবস্থা অনেকেরই অজানা।

ভুবন ভোলানো হাসির দিয়ে কোটি মানুষের হৃদয় জয় করে নেয়া এই কিশোরের নাম অরুণ কুমার। ভারতের মুম্বাইয়ে এক দরিদ্র পরিবারে অরুণের বেড়ে ওঠা। অভাবের তাড়নায় চতুর্থ শ্রেণির পর আর পড়াশোনা করা সম্ভব হয়নি তার। খুব অল্প বয়সেই জীবিকার তাগিদে ট্রাকের হেলপার হিসেবে কাজ শুরু করতে হয় তাকে।

অরুণ কাজ করতেন নেহেরু নামে এক ট্রাক চালকের সঙ্গে যাকে তিনি শ্রদ্ধায় ‘নেহেরু আন্না’ বলে ডাকতেন। নেহেরুও তাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন।

ভাইরাল হওয়া সেই দৃশ্যটি ছিল পুরোটাই কাকতালীয়। একদিন ট্রাক ধুয়ে কাজ শেষ করার পর নেহেরু আন্না অরুণকে এক কাপ চা দেন এবং একটি কৌতুক শোনান। সেই কৌতক শুনে অরুণ এতটাই হেসেছিলেন যে, তার হাত থেকে চা উপচে পড়ছিল। সেই মুহূর্তটি নেহেরু নিজের ফোনে রেকর্ড করে তারপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। মুহূর্তেই অরুণের সেই অকৃত্রিম হাসি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।

অরুণের এই জনপ্রিয়তার প্রভাব শুধু ভার্চুয়াল জগতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ভাইরাল হওয়ার পর সরকারের হস্তক্ষেপে অরুণের জীবনের কঠিন সংগ্রাম শেষ হয়। এখন সে আর ট্রাকের হেলপার নয়, বরং একজন নিয়মিত ছাত্র।

বর্তমানে অরুণ স্কুলে পড়াশোনা করছে এবং আগামী বছর তার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার কথা রয়েছে। পড়াশোনা শেষ করে সে গ্র্যাজুয়েট হতে চায় এবং একটি সুন্দর কর্মজীবন গড়ার স্বপ্ন দেখে। তবে সাফল্য পেলেও সে তার পথপ্রদর্শক ‘নেহেরু আন্না’কে ভুলে যায়নি। ভবিষ্যতেও তাকে পাশে চায় অরুণ।