ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ইউএনও'র দায়িত্বে সানজিদা আক্তার শ্রীমঙ্গল লোকালয় থেকে 'হেলে সাপ' উদ্ধার বড়লেখায় ব্রাকের উদ্যোগে ২৫০ জন কিশোরীকে হাতে কলমে প্রশিক্ষন কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ জনের জেল ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা গাজীপুরে সপ্তাহব্যাপী ফ্রি জলাতঙ্ক টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন পোরশার ছাওড় ইউনিয়ন পরিদর্শনে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা দিনের আলোয় অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বর্নালংকার ছিনতাই গাজীপুরে প্রতারক হাবিবের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন ভোলায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭২০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

বড়লেখায় ব্রাকের উদ্যোগে ২৫০ জন কিশোরীকে হাতে কলমে প্রশিক্ষন

#

রুয়েল কামাল, বড়লেখা (মৌলভীবাজার)

০৭ মে, ২০২৬,  6:33 AM

news image

ব্রাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির উদ্যোগে ১০ টি কেন্দ্রের,১৩ থেকে ১৭ বছরের ২৫০ জন মেয়েদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। 

ব্রাক কাঠাল তলী অফিসের উদ্যোগে  অফিসার অল্লিকা দাস, সার্বিক সহযোগিতায় শামীমা আক্তার সিও উপস্থিতি ছিলেন ।

শুধুমাত্র লেখাপড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তারা নিজেরা আয় করার পথও খুঁজে নিচ্ছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো নিজের হাতে স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি শেখা।

বর্তমানে অনেক কিশোরী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি করা শিখছে। এই কাজটি শুধু একটি দক্ষতা নয়, বরং এটি স্বাস্থ্য সচেতনতার সাথেও জড়িত। মাসিক স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং অন্যদের সচেতন করা—দুটিই একসাথে সম্ভব হচ্ছে এই উদ্যোগের মাধ্যমে।

নিজ হাতে ন্যাপকিন তৈরি করে কিশোরীরা নিজের প্রয়োজন মেটাতে পারছে, পাশাপাশি এগুলো বিক্রি করে সামান্য হলেও আয় করতে পারছে। এতে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ছে এবং তারা পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতা কিছুটা কমাতে পারছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে, যেখানে স্যানিটারি পণ্যের সহজলভ্যতা কম, সেখানে এই উদ্যোগটি আরও বেশি কার্যকর।

এই কাজের আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো—এটি পরিবেশবান্ধব হতে পারে। অনেক সময় পুনঃব্যবহারযোগ্য কাপড়ের ন্যাপকিন তৈরি করা হয়, যা প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে সহায়তা করে।

তবে এই উদ্যোগকে আরও সফল করতে প্রয়োজন সঠিক প্রশিক্ষণ, মানসম্মত উপকরণ এবং বাজারজাত করার সুযোগ। সরকার ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন যদি এগিয়ে আসে, তাহলে এই ছোট উদ্যোগ বড় আকার ধারণ করতে পারে।

সব মিলিয়ে, কিশোরী মেয়েদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরি শেখা একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ—যা তাদের শিক্ষার পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীল করে তুলছে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন।