ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
উপজেলা শিক্ষক বদলি কমিটির সদস্য মনোনীত হলেন মোঃ মশিউর রহমান শ্রীপুরে ওসি শাহিনুর আলমের নেতৃত্বে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার সুনামগঞ্জে ‘আনলকিং ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস ফর ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্পের সমাপনী সভা অনুষ্ঠিত গোপালপুরে মরহুম খন্দকার আব্দুল মান্নানের ৩২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের মতবিনিময় সভায় ব্যারিস্টার জারহাত আদিব চৌধুরী ভোলায় জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত করিমগঞ্জে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ভোলায় জেলা পুলিশের জুলাই মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত করিমগঞ্জে শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন পোরশায় উৎসব মুখর পরিবেশে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

মৌলভীবাজার হাসপাতালে নবজাতক বেচাকেনার ফাঁদ

#

তিমির বনিক (মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি)

৩১ মে, ২০২৬,  10:17 AM

news image

সিজারের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া নবজাতক কন্যাকে মায়ের জ্ঞান ফেরার আগেই পাচারের চেষ্টা—এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে। হাসপাতালের ওয়ার্ডবয়ের তৎপরতায় শেষ রক্ষা হয়েছে শিশুটির।

গত ২৭শে মে সদর উপজেলার শেরপুর এলাকার নাদামপুর গ্রামের ঝুমি আক্তার (২৫) হাসপাতালে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ, জ্ঞান ফেরার আগেই একই এলাকার আখলিছ মিয়া নবজাতকটিকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যান। পরে সাংবাদিক ওয়ার্ডবয় প্রাণ কৃষ্ণের হস্তক্ষেপে শিশুটিকে ফিরিয়ে আনা হয়।

স্থানীয়দের দাবি, চিকিৎসা খরচ বাবদ ঝুমির মা সাফারুন বেগম ১০ হাজার টাকা নেওয়ার পর থেকেই নবজাতককে অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার প্ররোচনা শুরু হয়। ঘটনাস্থলে আখলিছ মিয়ার স্ত্রীকেও শিশু নিতে অবস্থান করতে দেখা যায়। সংবাদকর্মীর সামনে তিনি টাকা দেওয়া ও শিশু নেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

শিশু বা মানব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেনাবেচা যে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ—এ কথা বুঝিয়ে দেওয়ার পর আখলিছ মিয়ার স্ত্রী ও তার সঙ্গী সেখান থেকে চলে যান।

স্বামী, মা-ভাইয়ের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত ঝুমি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি আমার বাচ্চাকে বিক্রি করব না। আমি শুধু আমার সন্তানের স্বীকৃতি চাই। আমি এখন কোথায় যাব?”

হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির বিভাগীয় প্রধান ছালেহ আহমদ সেলিম জানান, শিশু বেচাকেনা গুরুতর অপরাধ। ভুক্তভোগী অভিযোগ করলে সামাজিক কাউন্সেলিং ও আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। বর্তমানে মা ও নবজাতক সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে অসহায় অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন।

logo

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: ইমাম হোসেন