রুয়েল কামাল (বড়লেখা)
১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, 10:23 PM
বড়লেখায় ফ্রান্স প্রবাসী পুত্রবধূর বিরুদ্ধে ২৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা প্রতারনার অভিযোগ
মৌলভীবাজারের বড়লেখার ফ্রান্স প্রবাসী তানজিলা আক্তার ছামিমা ও তার পরিবার বিয়ের পরে স্বামী ফ্রান্স প্রবাসীর পরিবারের কাছ থেকে নগদ সাড়ে ২৯ লক্ষ টাকা নেন।
কয়েক দিন সংসারও করেন, এর কিছু দিন পর স্ত্রী ছামিয়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন। স্বামী নাজিম উদ্দিন প্রতিবাদ করায় ফ্রান্সে ৬ মাস জেলও খাটান স্বামী নাজিম উদ্দিনকে ।
ফ্রান্সে স্ত্রী দাবী নিয়ে মামলা করেন নাজিম। এব্যাপারে ফ্রান্স প্রবাসীর নাজিমের মা রানিয়া বেগমসহ ৩ জনকে আসামি করে বড়লেখা সিনিয়র জুডিসিয়াল মাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। এ নিয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজন সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
(১০ ডিসেম্বর) বুধবার বড়লেখা পৌর শহরের একটি অভিযাত হোটেলে এ সংবাদ করেন। লিখিত বক্তব্যে বলেন, বড়লেখা পৌর শহরের হাটবন্দ এলাকার তছির আলীর মেয়ে ফ্রান্স প্রবাসী তানজিলা আক্তার ছামিয়ার সাথে একই উপজেলার কলাজুরা গ্রামের খলিলুর রহমান এর ছেলে ফ্রান্স প্রবাসী নাজিম উদ্দিন এর পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২৯ লক্ষ ৫০ পঞ্চাশ হাজার টাকা নেন স্ত্রী পরিবার।
তানজিলা আক্তার ছামিয়া ২০২৩ সালের ২৮ জুলাই একই উপজেলার দক্ষিণ ভাগের পেনাগুল গ্রামের নুর উদ্দিন এর ছেলে তারেক আহমদের সাথে দ্বিতীয় বিয়ে হয়।
আইনে রয়েছে স্ত্রী স্বামীকে ছেড়ে বৈধ কাগজ পএ দেখিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করা এর কোনটাই করেনি ছায়মা ও তার পরিবার এ কোন তোয়াক্কাও করেনি।
সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স প্রবাসী নাজিম উদ্দিন এর পরিবারের লোকজন। তাদের পাওনা ২৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা প্রতারনার করে নেওয়া শাস্তি মুলক ব্যবস্হার জন্য বড়লেখা সিনিয়র জুডিসিয়াল মাজিস্ট্রেট আদালতে ছামিয়ার মাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স প্রবাসী নাজিম উদ্দিন এর বাবা খলিলুর রহমান মা রানিয়া বেগম চাচা মাসুকুর রহমান, আছার উদ্দিন, চাচী ছাবিনা ইয়াসমিন, লুৎফা বেগম, চাচাতো বোন মাছুমা আক্তার সহ অনেকে।