ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
পোরশার নিতপুরে অগ্নিকাণ্ডে বাড়ি পুড়ে ছাই শ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর ন্যাক্কারজনক হামলা কুড়িগ্রাম-২ আসনসহ ৪টি আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট সিট সংরক্ষণে হাইকোর্টের আদেশ পোরশায় জামায়াতের ইফতার ও দোয়া মাহফিল মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত কচুয়ার মাঝিগাছা জামালিয়া বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির নির্বাচনে চাচা-ভাতিজার জয়লাভ কালাইয়ে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামী পলাতক বটিয়াঘাটায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৯ লাল পিঁপড়ার ডিমে চলে শত পরিবারের জীবন ওসির সামনে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা চাওয়া যুবদল নেতা আটক

বৃষ্টির কারণে সবজির দাম কিছুটা বাড়তি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০১ অক্টোবর, ২০২৫,  6:43 PM

news image

ভোর থেকে বৃষ্টি হচ্ছে ঢাকায়। মঙ্গলবারও সারাদিন থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন সড়ক আর অলিগলিতে উঠেছে পানি। ফলে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে বেড়েছে সব পণ্যের দাম। বিশেষ করে বেড়েছে শাক-সবজির দাম।

দাম বেড়ে যাওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় কিছুটা বাড়তি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, যেকোনো দুর্যোগ বা বৃষ্টি দেখা দিলে বিক্রেতারা সিন্ডিকেট করে একযোগে দাম বাড়িয়ে দেন, যা তাদের পকেটে চলে যায়।দুই দিন আগে পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পটল, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙার দাম ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা ছিল। করলা, বেগুন, বরবটি, চিচিঙা ৭০ থেকে ৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছিল। জালি কুমড়া ও লাউ বিক্রি হচ্ছিল ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

আজ বুধবার (১ অক্টোবর) বৃষ্টির কারণে বাজারে দাম কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, উস্তা-১০০ টাকা, ধন্দুল-ঝিঙা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা। এছাড়া কচুরমুখি ৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৮০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, জালি কুমড়া ৫০ টাকা এবং লাউ ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে আলু আগের দামে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মালিবাগ রেললাইন সংলগ্ন কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আশরাফ আলী জানান, পাইকারি বাজারে সবজি সরবরাহ তুলনামূলকভাবে কম, এ কারণে তারা বাড়তি দামে কিনে আনছেন। তিনি আরও বলেন, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে, তবে বৃষ্টি কমলে দাম আবারও কমে যাবে।


এদিকে, মগবাজার বনলতা মার্কেটের ক্রেতা উম্মে হাবিবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেকোনো দুর্যোগ বা বৃষ্টি দেখিয়ে বিক্রেতারা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দেন। গতকাল বিকেল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে, কিন্তু তার আগেই তো পাইকারি বাজারে মালামাল ঢুকেছে, তখন দাম বাড়ানোর কোনো কারণ ছিল না।

তবে মধুবাগ বাজারের খুচরা বিক্রেতা শামীম জানান, আমাদের বাজারগুলোতে যে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে, তা আমদানিকৃত মরিচ, যা ভারত থেকে আনা হয়। বর্তমানে দুর্গাপূজা চলছে, তাই এলসি (অর্থাৎ আমদানিকৃত) মরিচ আসছে না। এই সময় প্রতি বছরই আমদানির প্রভাব পড়ে, যার কারণে দাম বেড়ে গেছে।

এভাবে, কাঁচাবাজারে সবজির দাম বৃদ্ধির পেছনে আবহাওয়া এবং আমদানি-রপ্তানি পরিস্থিতি একটি বড় ভূমিকা পালন করছে, যার ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে, বলছেন ব্যবসায়ীরা।