ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
পোরশার নিতপুরে অগ্নিকাণ্ডে বাড়ি পুড়ে ছাই শ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর ন্যাক্কারজনক হামলা কুড়িগ্রাম-২ আসনসহ ৪টি আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট সিট সংরক্ষণে হাইকোর্টের আদেশ পোরশায় জামায়াতের ইফতার ও দোয়া মাহফিল মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত কচুয়ার মাঝিগাছা জামালিয়া বাজার ব্যাবসায়ী সমিতির নির্বাচনে চাচা-ভাতিজার জয়লাভ কালাইয়ে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামী পলাতক বটিয়াঘাটায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৯ লাল পিঁপড়ার ডিমে চলে শত পরিবারের জীবন ওসির সামনে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা চাওয়া যুবদল নেতা আটক

নিবন্ধন আটকে দেওয়ার অভিযোগ আমজনগণ পার্টির

#

নিশাত শাহরিয়ার

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  9:51 AM

news image

যড়যন্ত্র করে দলীয় নিবন্ধন আটকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টি (বিএজেপি)।

দলটি বলছে, এই দলের নেতাকর্মীসহ একটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নিবন্ধন না দিতে কমিশনকে প্রভাবিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে আমজনগণ পার্টির নিবন্ধন ইস্যুতে ইসির শুনানি শেষে দলটির নেতারা সাংবাদিকদের এমন অভিযোগ করেন।

এ দিন শুনানিতে আমজনতার পার্টির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

পরে অভিযোগকারী আমজনতার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহর নেতৃত্বে দলটির নেতাদের নিয়ে আলাদাভাবে এবং দুই দলকে একসঙ্গে শুনানি করে ইসি। শুনানিকালে চার নির্বাচন কমিশনার এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

শুনানি শেষে আমজনগণ পার্টির সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম সাংবাদিদের বলেন, যেসব জেলা ও উপজেলায় আমরা কমিটি দেইনি, সেখান থেকেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নেতিবাচক প্রতিবেদন দিয়েছে। এটি পরিষ্কার একটি ষড়যন্ত্র। আমাদের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার চর্চায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আমাদের দল নিবন্ধন পাবে।

পরে আমজনতার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমজনগণের পার্টি আমাদের দলের নাম চুরি করে ও প্রায় একইরকম নাম দিয়ে দল করেছে। সিমিলারি কোনো নামে দুইটি দল হতে পারে না। এতে আমাদের সমর্থক এবং দেশবাসী বিভ্রান্ত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রফিকুল আমীন ডেসটিনির নামে মানুষের লাখ লাখ মানুষের টাকা মেরে জেল খেটেছেন। এখন টাকা ফেরৎ না দিতে রাজনৈতিক দলের নামে দোকান খুলেছেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে আহ্বান থাকবে, কোনো এমএলএম কোম্পানির মাধ্যমে খোলা দোকান ও প্রকারক দলকে নিবন্ধন দেবেন না।’

শুনানিকালে ইসি তাদের কথা শুনে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে বলে দাবি করেন দু’টি দলের নেতারাই।