ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
ঈদের ছুটি কতদিন হবে যা জানা গেল ১১০ বস্তা ভারতীয় জিরাসহ আটক ১ শ্রীমঙ্গলে ৪৫ পিস ইয়াবাসহ আটক মাদক ব্যবসায়ী গাইবান্ধা সদরে সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সাংসদ নাসের রহমানের সাথে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বৈঠক ভুল করেছি ক্ষমা করে দেন— আটকের পর শিশু ধর্ষণকারী দিনমজুর অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মাদক সেবনের দায়ে যুবকের জেল-জরিমানা ৩১৫ কেজি পলিথিন জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ

দূর্নীতির বরপুত্র দুর্গাপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক

#

এ কে এম শামসুজ্জোহা চৌধুরী (কুড়িগ্রাম)

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬,  2:54 AM

news image

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকারকে তার পদসহ সকল দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সভাপতি মাহমুদুল হাসান।

জানা গেছে, সরকারি বিধি অনুযায়ী নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন ফি সর্বোচ্চ ৩০২ টাকা নির্ধারিত থাকলেও দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৬০০ টাকা আদায় করা হয়। একইভাবে ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার পরিবর্তে এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ফি নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদে শাহাজাহান সরকার নামের এক অভিভাবক ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আদায়কৃত সেশন ফি ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে অনিয়ম, চেক ডিজঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জামিনে থাকা, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য পরিচালনা এবং প্রায় ৮০টি দোকানঘরের ভাড়া থেকে প্রাপ্ত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব না রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এসব কারণে তার প্রায় দুই বছর ধরে বেতন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক উৎপল কান্তি সরকার বলেন, আজ (রবিবার) শুনানি ছিল। ইউএনও স্যার আমাকে সরে থাকতে বলেছেন। তবে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো স্থগিতাদেশের চিঠি পাইনি।

উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার নামে মামলা থাকায় দীর্ঘদিন ধরে বেতন বন্ধ রয়েছে।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে প্রধান শিক্ষকের পদসহ সকল দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। খুব দ্রুত বিদ্যালয়ে একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।