ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় ইউএনও'র দায়িত্বে সানজিদা আক্তার শ্রীমঙ্গল লোকালয় থেকে 'হেলে সাপ' উদ্ধার বড়লেখায় ব্রাকের উদ্যোগে ২৫০ জন কিশোরীকে হাতে কলমে প্রশিক্ষন কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১ জনের জেল ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা গাজীপুরে সপ্তাহব্যাপী ফ্রি জলাতঙ্ক টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন পোরশার ছাওড় ইউনিয়ন পরিদর্শনে সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভোলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা দিনের আলোয় অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বর্নালংকার ছিনতাই গাজীপুরে প্রতারক হাবিবের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন ভোলায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭২০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ভয়াবহ ডাকাতি

#

নজরুল ইসলাম জুয়েল (ময়মনসিংহ)

০৫ অক্টোবর, ২০২৫,  9:02 PM

news image

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল অংশে ফের সংঘবদ্ধ ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর, ২০২৫) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নুরুর দোকান মোড় থেকে বৈলর চরপাড়া বাঁশকুড়ি ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত রাস্তায় ছদ্মবেশী ডাকাতরা একটি যাত্রীবাহী কোস্টার থামিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করে নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নেয়। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক ও ত্রিশাল অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হক আহত হয়েছেন এবং নগদ অর্থ হারিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-শ্রীবর্দী (শেরপুর) ও বকশিগঞ্জ রুটের একটি যাত্রীবাহী কোস্টার ত্রিশাল থেকে সাধারণ যাত্রী তোলে। গাড়িটি কিছুদূর এগোতেই কোস্টারের ভেতরে থাকা প্রায় ৮ থেকে ১০ জন সংঘবদ্ধ ডাকাত অতর্কিতভাবে অন্যান্য যাত্রীদের ওপর হামলা চালায়। তারা অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের ভয় দেখিয়ে মারধর করে এবং তাঁদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন সহ অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়।

ডাকাতির পর গাড়িটি সালামের দোকান মোড় এলাকার এলপিজি গ্যাসপাম্পের রানওয়ে ঘুরিয়ে নেয়। এসময় ডাকাতরা বিশেষভাবে টার্গেট করে স্থানীয় সাংবাদিক ও "এনাম ডেন্টাল কেয়ার"-এর স্বত্বাধিকারী এনামুল হককে। তাঁর কাছ থেকে নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার পর ডাকাতরা তাঁকে নুরুর দোকান থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে নামিয়ে দিয়ে দ্রুত ঢাকার উদ্দেশে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক এনামুল হক ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, আমাকে মারধর করা হয়। ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে সবাইকে চুপ থাকতে বাধ্য করে। আমার কাছ থেকে নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার পর রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়।

এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ যাত্রীরা এখন মহাসড়কে চলাচল করতে ভয় পাচ্ছেন। এলাকাবাসীর শঙ্কা—প্রশাসন দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় মহাসড়কে আরও বড় কোনো দুর্ঘটনা বা ডাকাতির ঘটনা ঘটতে পারে।