ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
ভুল করেছি ক্ষমা করে দেন— আটকের পর শিশু ধর্ষণকারী দিনমজুর অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মাদক সেবনের দায়ে যুবকের জেল-জরিমানা ৩১৫ কেজি পলিথিন জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর একান্ত সচিব কমলগঞ্জের কৃতী সন্তান মাহবুবুল পোরশায় আগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে প্রশাসনের সহায়তা পোরশার নিতপুরে অগ্নিকাণ্ডে বাড়ি পুড়ে ছাই শ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর ন্যাক্কারজনক হামলা কুড়িগ্রাম-২ আসনসহ ৪টি আসনের ব্যালট ও রেজাল্ট সিট সংরক্ষণে হাইকোর্টের আদেশ

গাইবান্ধায় ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

#

বিপ্লব চৌধুরী (বিশেষ প্রতিনিধি)

২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫,  1:26 AM

news image

গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীক মোঃ আবু সায়েম খন্দকার রিপনের কাছ থেকে ৩৪ শতক জমি ক্রয়ের নামে মাত্র দেড় লক্ষ টাকা নগদ গ্রহণ করেন। বাকি টাকা পরবর্তীতে পরিশোধ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি নিজ নামে জমিটির সাফ কবলা দলিল সম্পাদন করেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও আজ পর্যন্ত বাকি অর্থ পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ আবু সায়েম খন্দকার রিপন জেলা প্রশাসক, গাইবান্ধা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমাধান আসেনি। সর্বশেষ বৈঠকে গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের মধ্যে বকেয়া টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ে তিনি তা পরিশোধ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত কর্মকর্তা হুমকিস্বরূপ বক্তব্য দেন এবং বলেন, “টাকা ম্যানেজ করে দিয়ে দিব, আপনি যদি কিছু করতে পারেন তাহলে করেন—আমার কিছুই হবে না।” এতে ভুক্তভোগী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।

এছাড়াও মোঃ আবু বক্কর সিদ্দীকের বিরুদ্ধে একাধিক নারীকেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তার একাধিক বিবাহের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি টাকার কথা স্বীকার করেন এবং বলেন দিবই তো । যখন টাকা পাব তখন দিব । না তো করিনি ।