ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নে ১০০০ সদস্যের মাঝে ৩০০০ ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ রংপুরে চায়ের প্যাকেটে ১২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ব্রাজিলের খেলা দেখতে গিয়ে প্রাণ হারালো যুবক, পরিবারে শোকের ছায়া মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ১৩টি এয়ারগান ও গুলি জব্দ হলেও উল্লেখ নেই তালিকায় জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন সাংবাদিক আল আমিন দেওয়ান আল আবেদী ৪১ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষে আবেগঘন বিদায় কালীগঞ্জে ফুটপাত সড়ক দখলমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান হরিপুরে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন আমিনবাজার ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু সিলেট থেকে উদ্ধার বালিয়াডাঙ্গীর নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী

ক্ষতিকর পোকা দমনে ডেথ পাচিং পদ্ধতিতে ঝুঁকছেন কৃষকেরা

#

তিমির বনিক (মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি)

২৬ অক্টোবর, ২০২৫,  10:51 PM

news image

ভরা আমন মৌসুমে মাজরা পোকার আক্রমণে ক্ষতির মুখে পড়তে হতো মৌলভীবাজারের কৃষকেরা। এখন সেই চিরচেনা দৃশ্য বদলে যাচ্ছে। ক্ষতিকর পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে কৃষকেরা ঝুঁকছেন পরিবেশবান্ধব ‘পাচিং’ বা ‘ডেথ পাচিং’ পদ্ধতির দিকে।

বাঁশের খুঁটি ও গাছের ডাল ব্যবহার করে সহজলভ্য এই কৌশলে শিকারি পাখিরা ধানখেতে এসে পোকা খেয়ে ফেলে ফলে কীটনাশক ব্যবহারের খরচ কমছে,ফসল হচ্ছে সুরক্ষিত এবং পরিবেশ থাকছে দূষণমুক্ত।

প্রকৃতির সহায়তায় কৃষির রক্ষাকবচ, পাচিং পদ্ধতিতে ধানখেতে নির্দিষ্ট দূরত্বে বাঁশের খুঁটি বা গাছের ডাল পুঁতে দেওয়া হয়। খুঁটির মাথায় খড় বা শুকনো ডাল বেঁধে দেওয়া হয় যাতে পাখিরা এসে বসতে পারে।

এই পাখিগুলো বিশেষ করে শালিক, ফিঙে, দোয়েল ও বাবুই ধানগাছের ক্ষতিকর মাজরা পোকার ডিম ও লার্ভা খেয়ে ফেলে। ফলে স্বাভাবিকভাবে কীটপতঙ্গের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে থাকছে এবং ধানগাছ ও ফসল সুস্থভাবে বেড়ে ওঠছে।

কৃষকের অভিজ্ঞতা, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের পতনঊষার ইউনিয়নের কৃষক আনোয়ার মিয়া বলেন, “আমি কয়েক বছর ধরে পাচিং ব্যবহার করছি। আগের মতো আর মাজরা পোকার আক্রমণ হয় না। এবারও জমিতে ৩০টি পাচিং দিয়েছি। এতে খরচও কমেছে, ধানের ফলনও ভালো হয়েছে।”

জেলার রাজনগর উপজেলার কৃষক নূরুল ইসলাম জানান, “আগে প্রতি মৌসুমে কীটনাশকে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা খরচ হতো। এখন পাচিং ব্যবহারে সেই খরচ অর্ধেকে নেমে এসেছে। পাখিরা দিনভর ধানক্ষেতে বসে পোকা খেয়ে ফেলে এর ফলে দেখা মিলছে তারা যেন প্রাকৃতিক পাহারাদার হিসেবে কাজ করছে।”

logo

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: ইমাম হোসেন