ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
নওগাঁর পোরশায় কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ভোলায় বিআরটিএ'র ট্রাস্টি বোর্ডের উদ্যোগে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ বড়লেখায় সড়ক উন্নয়ন কাজের ভিত্তি প্রস্তরসহ মুক্তিযোদ্ধাদের হুইল চেয়ার ও অর্থ বিতরণ শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নে ১০০০ সদস্যের মাঝে ৩০০০ ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ রংপুরে চায়ের প্যাকেটে ১২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ব্রাজিলের খেলা দেখতে গিয়ে প্রাণ হারালো যুবক, পরিবারে শোকের ছায়া মৌলভীবাজারের বড়লেখায় ১৩টি এয়ারগান ও গুলি জব্দ হলেও উল্লেখ নেই তালিকায় জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন সাংবাদিক আল আমিন দেওয়ান আল আবেদী ৪১ বছরের শিক্ষকতা জীবন শেষে আবেগঘন বিদায় কালীগঞ্জে ফুটপাত সড়ক দখলমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ

#

নিশাত শাহরিয়ার

১৯ মার্চ, ২০২৬,  4:23 PM

news image

তিন মাস ধরে কারখানার শ্রমিকদের বেতন বকেয়া। শ্রমিকদের আবেদনের পরও বেতন পরিশোধ করেনি মালিকপক্ষ। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের মজুরিবাকি পড়ে  প্রায় ১৬ লাখ টাকা । ১৪ মার্চ বেতনের দাবিতে কারখানার ভেতরে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এরপর হস্তক্ষেপ করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।  বুধবার কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে মজুরি পরিশোধ করতে বাধ্য হয় মালিকপক্ষ।

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ এলাকায় অবস্থিত জে পি সনেট লিমিটেড নামে পোশাক কারখানা। বুধবার ভোরে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে ১৩০ জন শ্রমিকের বকেয়া পরিশোধ করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশ ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মোট পাওনার মধ্যে ১ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল।

জেলা প্রশাসন জানায়, গত শনিবার বেতন-ভাতার দাবিতে কারখানার ভেতরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। গত সোমবার জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মালিকপক্ষ যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে বকেয়া পরিশোধের লিখিত অঙ্গীকার করে। আজ ভোরে যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়।

কারখানার মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সজীব দাস বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করেই শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করতে হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় কোনো ধরনের ভাঙচুর বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’

logo

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: ইমাম হোসেন