নিশাত শাহরিয়ার
১৯ মার্চ, ২০২৬, 4:23 PM
কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ
তিন মাস ধরে কারখানার শ্রমিকদের বেতন বকেয়া। শ্রমিকদের আবেদনের পরও বেতন পরিশোধ করেনি মালিকপক্ষ। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের মজুরিবাকি পড়ে প্রায় ১৬ লাখ টাকা । ১৪ মার্চ বেতনের দাবিতে কারখানার ভেতরে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। এরপর হস্তক্ষেপ করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। বুধবার কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে মজুরি পরিশোধ করতে বাধ্য হয় মালিকপক্ষ।
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ এলাকায় অবস্থিত জে পি সনেট লিমিটেড নামে পোশাক কারখানা। বুধবার ভোরে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে ১৩০ জন শ্রমিকের বকেয়া পরিশোধ করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশ ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মোট পাওনার মধ্যে ১ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল।
জেলা প্রশাসন জানায়, গত শনিবার বেতন-ভাতার দাবিতে কারখানার ভেতরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। গত সোমবার জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মালিকপক্ষ যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে বকেয়া পরিশোধের লিখিত অঙ্গীকার করে। আজ ভোরে যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়।
কারখানার মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সজীব দাস বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করেই শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করতে হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় কোনো ধরনের ভাঙচুর বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’
চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ এলাকায় অবস্থিত জে পি সনেট লিমিটেড নামে পোশাক কারখানা। বুধবার ভোরে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে ১৩০ জন শ্রমিকের বকেয়া পরিশোধ করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশ ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মোট পাওনার মধ্যে ১ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল।
জেলা প্রশাসন জানায়, গত শনিবার বেতন-ভাতার দাবিতে কারখানার ভেতরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। গত সোমবার জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মালিকপক্ষ যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে বকেয়া পরিশোধের লিখিত অঙ্গীকার করে। আজ ভোরে যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়।
কারখানার মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সজীব দাস বলেন, ‘আমরা বিভিন্নভাবে টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করেই শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করতে হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় কোনো ধরনের ভাঙচুর বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’