ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
ঈদের ছুটি কতদিন হবে যা জানা গেল ১১০ বস্তা ভারতীয় জিরাসহ আটক ১ শ্রীমঙ্গলে ৪৫ পিস ইয়াবাসহ আটক মাদক ব্যবসায়ী গাইবান্ধা সদরে সড়ক সংস্কারে অনিয়ম সাংসদ নাসের রহমানের সাথে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বৈঠক ভুল করেছি ক্ষমা করে দেন— আটকের পর শিশু ধর্ষণকারী দিনমজুর অনুমোদনহীন ঈদ মেলার আয়োজন বন্ধ করল প্রশাসন মাদক সেবনের দায়ে যুবকের জেল-জরিমানা ৩১৫ কেজি পলিথিন জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ

কসাইবাড়ির কাবাব ঘরে স্বাস্থ্যঝুঁকি— জনরোষ উপেক্ষা করে টিকে আছে কার ছত্রছায়ায়

#

শোয়েব হোসেন

০৬ নভেম্বর, ২০২৫,  5:42 PM

news image

রাজধানীর দক্ষিণখানের কসাইবাড়ি রেলগেট  সংলগ্ন ১ নম্বর সেকান্দর মার্কেটে অবস্থিত “বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর এন্ড রেস্টুরেন্ট” বহু বছর ধরে আইন অমান্য করে অদ্ভুত দাপটের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছে। আশ্চর্যের বিষয়—এই রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরটি সরাসরি পথচারীদের চলাচলের রাস্তার মধ্যেই অবস্থিত!

সরেজমিনে দেখা গেছে, ধূলা-বালি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া, আবর্জনা ও দূষিত পরিবেশের মাঝেই প্রতিনিয়ত সেখানে রান্না, ভাজাভুজি ও খাবার পরিবেশন চলছে।

দেখা যাচ্ছে, দোকান বন্ধ থাকুক কিংবা খোলা,রান্না ঘরটি যেন রাস্তার ফুটপাথেই স্থায়ী ভাবে থেকে যায়। অথচ নেই কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, উচ্ছেদ অভিযান কিংবা স্বাস্থ্য বিভাগ বা সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহু বছর ধরে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ দাপট, প্রভাব ও অপশক্তির আশ্রয়ে রাষ্ট্রীয় বিধি-নিষেধ অমান্য করে নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।এলাকাবাসী মাঝে মাঝে আপত্তি তুললেও ভয়ংকর রকমের রক্তচক্ষু দেখিয়ে তাদের ভয়ভীতির মধ্যে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অনেকেই জানান, এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে নাকি রয়েছে একদল ছিচকে মাস্তান, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী। এমনকি কারও কারও মতে, “সিটি কর্পোরেশনের বাবারও সাহস নেই তাদের ‘টু’ শব্দটি বলার।”

রেস্টুরেন্টের খাবার খেয়ে অসুস্থ হওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। একাধিক ক্রেতা জানান, দূষিত পরিবেশে তৈরি খাবার খাওয়ার পর তারা পেটের সমস্যা ও সংক্রমণে ভুগেছেন। কিন্তু প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো অপমান ও হুমকির মুখে পড়তে হয়।

এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে—কেন প্রশাসন নীরব?কেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা দেখেও দেখছেন না? কাদের আশ্রয়ে “বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর” এত বছর ধরে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে টিকে আছে?

জনস্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা আইনের প্রতি এভাবে প্রকাশ্য অবজ্ঞা একটি গুরুতর অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে এ ধরনের অপরাধী রেস্টুরেন্টগুলো সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

অতএব, অবিলম্বে প্রয়োজন প্রশাসনিক অভিযান, তদন্ত এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা।এবং সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ—জনস্বার্থে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।