ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
স্বাধীনতা, জাতীয়তাবাদ ও উন্নয়নের অবিস্মরণীয় নাম ‎শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অবশেষে সিলেটের সাথে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক কচুয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবুলের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় রংপুরে ডিবির অভিযানে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক ৩ ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে সিলেটের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের মাঝে মাংস বিতরণ কুলাউড়ায় চার দিনের ব্যবধানে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু শ্রীমঙ্গলে নিশ্চিত মৃত্যুর কবল থেকে রক্ষা পেল লজ্জাবতী বানর দুই নারীর অভিনব কৌশলে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে চুরি বড়লেখায় টিউবওয়েল নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩

উত্তর কোরিয়ায় ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটে জয়ী হলেন মিসাইলম্যান কিম জং উন

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৯ মার্চ, ২০২৬,  11:19 PM

news image

কিম জং উন আবারও প্রায় শতভাগ ভোট পেয়ে উত্তর কোরিয়ার নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। দেশটির শাসক দল ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়া এবং তাদের মিত্র সংগঠনগুলো সর্বশেষ সংসদীয় নির্বাচনে ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ১৫ মার্চ এই নির্বাচন হলেও বাইরের দুনিয়া এ সম্পর্কে বলতে গেলে কিছুই জানে না। অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলির ১৫তম অধিবেশনের সদস্য নির্বাচিত করা হয়।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন দল সমর্থিত প্রার্থীরা প্রতিটি আসনেই জয় পেয়েছেন। সরকারি হিসাবে দেখা যায়, ৯৯.৯৩ শতাংশ ভোটার কিমের দলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে আরেকটি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, এই হার ছিল ৯৯.৯৭ শতাংশ। আর ভোটার উপস্থিতি ছিল অবিশ্বাস্য ৯৯.৯৯ শতাংশ। 

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে মাত্র ০.০০৩৭ শতাংশ ভোট দিতে পারেননি। কারণ তারা বিদেশে ছিলেন বা সমুদ্রে কাজ করছিলেন। এছাড়া প্রায় ০.০০০০৩ শতাংশ ভোটার ভোটদানে বিরত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এই নির্বাচনে ব্যালটে কোনো বিরোধী প্রার্থী ছিল না। প্রতিটি আসনে ভোটারদের সামনে মাত্র একজন আগেই অনুমোদিত প্রার্থী রাখা হয়েছিল। ভোটারদের সামনে ছিল শুধু দুটি। তাহলো বিকল্প প্রার্থীকে সমর্থন করা অথবা তাকে প্রত্যাখ্যান করা। অর্থাৎ বাকি ০.০৭ শতাংশ ভোট কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী দল বা নেতার কাছে যায়নি। এটি ছিল সেই ভোটারদের ভোট যারা সরকারি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘না’ ভোট দিয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সংসদীয় নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে। এর আগে সর্বশেষ ১৯৫৭ সালে এ ধরনের তথ্য প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়েছিল।

দেশটির নির্বাচন আইন অনুযায়ী মোট ৬৮৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলিতে। এই প্রতিনিধিদের মধ্যে রয়েছেন শ্রমিক, কৃষক, বুদ্ধিজীবী, সামরিক সদস্য এবং সরকারি কর্মকর্তা। তবে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় মাত্র একজন প্রার্থীই থাকে, যাকে আগেই শাসক নেতৃত্ব অনুমোদন করে।