ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
দাম বাড়লো জ্বালানি তেলের, সোমবার থেকে কার্যকর পেশাদারিত্ব বজায় রেখে জনমনে আস্থা ফেরাতে হবে উপজেলার সিএ পদে চাকরি করে তিন মাসেই কোটিপতি ঘাটাইলে বংশাই নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু গাজীপুরে নতুন পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিন কুড়িগ্রামে পুলিশ সুপারের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় খালেদা জিয়া ভারতীয় আধিপত্যবাধের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক: রাশেদ খাঁন বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত আ. লীগ, মূল সমন্বয়কারী তাপস সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১২২ বার খালেদা জিয়ার অসুস্থতার জন্য দায়ী পতিত স্বৈরাচার সরকার: আবু হানিফ

সমাজের আলোকবর্তিকা শাহিন আহমেদ

#

নাজমুল আদনান (টাঙ্গাইল)

০৩ অক্টোবর, ২০২৫,  12:04 AM

news image

ঘাটাইলের সন্ধানপুরের কুশারিয়া গ্রামের সন্তান শাহীন আহমেদ (লিটন) সমাজের ভালো কাজগুলোতে যিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। নিঃস্বার্থ সেবা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি। যখনই কোনো সামাজিক উদ্যোগ বা জনকল্যাণমূলক কাজের প্রয়োজন হয় শাহিন আহমেদকে সেখানেই সবার প্রথমে দেখা যায়। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা সমাজের অনেক মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।

​শাহিন আহমেদের সামাজিক ভূমিকা কেবল উপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তাঁর পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং কার্যকর উদ্যোগ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। তিনি বিশ্বাস করেন যে সমাজসেবা কেবল ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয় এটি একটি সামাজিক কর্তব্য।

​বিপদে পাশে দাঁড়ানো: বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা মহামারীর মতো কঠিন সময়ে তিনি দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেন। খাদ্য, বস্ত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণে তিনি সবসময় সামনের সারিতে থাকেন।

​দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো দিতে তিনি বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। শিক্ষা উপকরণ বিতরণ থেকে শুরু করে তাদের পড়াশোনার খরচ বহনেও তাঁর ভূমিকা রয়েছে।

​স্থানীয় পর্যায়ে যেকোনো ভালো কাজে তিনি নেতৃত্ব দেন। পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রক্তদান শিবির — এমন বহু সামাজিক অনুষ্ঠানে তাঁর উৎসাহী অংশগ্রহণ থাকে।

স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে তিনি সক্রিয়ভাবে কাজ করেন।

শাহিন আহমেদ তাঁর কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে ছোট ছোট উদ্যোগও সমাজে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তাঁর কাছে, সামাজসেবা কোনো দায়ভার নয়, বরং এক প্রকার আনন্দ ও তৃপ্তি। তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা এলাকার অন্যান্য যুবক ও সাধারণ মানুষকেও সামাজিক কাজে উৎসাহিত করে।

​স্থানীয় জনসাধারণ মনে করেন শাহিন আহমেদের মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষই সমাজের মূল চালিকাশক্তি। তাঁর মতো মানুষেরাই একটি উন্নত ও মানবিক সমাজ গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। সমাজের প্রতি তাঁর এই অপরিমেয় অবদান তাঁকে একজন সত্যিকার সমাজসেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আমরা আশা করি, শাহিন আহমেদের এই নিঃস্বার্থ পথচলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং তাঁর কাজ আরও অনেক মানুষকে জনকল্যাণমূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে।