ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
সুনামগঞ্জের লালপুর গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, আটক ৪ পীরগঞ্জে বিদ্যালয়ের বিশ্রামাগারে সিসি ক্যামেরা, গোপনীয়তা নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা গোপালপুরের ধোপাকান্দিতে জলাবদ্ধতায় ২০০-২৫০ বিঘা ফসলি জমি অনাবাদি নগদা শিমলায় নিজ অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তারিকুল ইসলাম মৌলভীবাজারে ৭ বছরের শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টা ভোলা সদর টাউন পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ বটিয়াঘাটায় সুরখালি ইউনিয়নে ঘুমন্ত যুবককে বস্তাবন্দি করার অভিযোগ টাওয়ার হ্যামলেটস কেয়ারার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন সম্পন্ন যে কারনে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট সুবিধা প্রত্যাহার করলো সরকার কুলাউড়ায় তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু

পীরগঞ্জের খাসতালুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

#

শিহাবুর রহমান (পীরগঞ্জ)

২৪ জুলাই, ২০২৬,  12:42 AM

news image

রংপুর জেলাধীন পীরগঞ্জ উপজেলার ১নং চৈত্রকোল ইউনিয়নের খাসতালুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে ১৮ জন শিক্ষার্থীকে এলোপাতাড়ি মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন অভিভাবকগন। ঘটনার পর আতঙ্কে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুর রহিমের কাছে প্রাইভেট না পড়ায় তিনি  ক্ষুব্ধ হয়ে ৪র্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের মারধর করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, সহকারী শিক্ষক, আব্দুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রাইভেট পড়ানোর নামে তাদের উপবৃত্তির পুরো টাকা তিনি জোরপূর্বক  আদায় করে নেন। আর টাকা দিতে ব্যর্থ হলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। এমনকি থুতু ফেলে তা চাটতে বাধ্য করার মতো অমানবিক আচরণেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। 

অভিযোগ অনুযায়ী, মারধরের ঘটনায় রিয়ন ও আয়শা নামে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন তাদের অভিভাবকরা।

এদিকে, শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আদায়ের ঘটনায় উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, শামীম আখতার ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন শাহের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বিষয়টি জানার পরও তারা কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের জানা যায় , একই ধরনের অভিযোগ উপজেলার আরও ২০টির বেশি বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধেও রয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, মোসলেম উদ্দিন শাহ বলেন, 'বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, 'লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে'।

'এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহিমের বক্তব্য জানতে তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়ায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

logo

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: ইমাম হোসেন