নাজমুল আদনান (টাঙ্গাইল)
০২ অক্টোবর, ২০২৫, 1:17 PM
তরুণ প্রজন্মের ভরসা শহিদুল ইসলামের সময়োপযোগী চিন্তা-ভাবনা
টাঙ্গাইল এ ঘাটাইল এ দেওপাড়া ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম (মিয়া ভাই) ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং ।
আগামী স্থানীয় নির্বাচনে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মেম্বার প্রার্থী মো. শহিদুল ইসলাম ( মিয়া ভাই)। তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন বরং এলাকার তরুণ প্রজন্মের এক বড় অংশের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার সময়োপযোগী ও আধুনিক চিন্তা-ভাবনা যা গতানুগতিক রাজনীতির বাইরে এসে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
তরুণ ভোটাররা মনে করেন, শহিদুল ইসলামের ভাবনাগুলো একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাগুলোকে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে। নিচে তার কিছু মূল চিন্তাধারা তুলে ধরা হলো, যা তরুণদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে:
দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তরুণরা শহিদুল ইসলামের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রাখছে। তিনি স্থানীয় উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে জনগণের অংশগ্রহণ ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
ডিজিটাল ও কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগ: শহিদুল ইসলাম তার নির্বাচনী এলাকায় 'স্মার্ট এলাকা' গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন। তিনি স্থানীয়ভাবে যুবকদের জন্য আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন এবং অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং এর সুযোগ তৈরি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা বেকারত্ব দূরীকরণে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়ন: তরুণরা তার পরিবেশ সুরক্ষার পরিকল্পনায় বিশেষভাবে আগ্রহী। তিনি প্লাস্টিক দূষণ রোধ এবং সবুজায়ন কর্মসূচিতে যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের উপর জোর দিয়েছেন, যা একটি সচেতন ও দায়িত্বশীল সমাজ গঠনের বার্তা দেয়।
শিক্ষায় আধুনিকায়ন: পুরোনো শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তে, তিনি স্থানীয় স্কুলগুলোতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং কারিগরি শিক্ষার উপর জোর দেওয়ার কথা বলেছেন। তার মতে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই বিনিয়োগ অপরিহার্য।
মেম্বার প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি: সেবায় স্বচ্ছতা ও হয়রানিমুক্ততা সম্মানিত ওয়ার্ডবাসী,
তিনি জানান, আমি আপনাদের সেবক ও মেম্বার প্রার্থী হিসেবে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় এই অঙ্গীকার করছি: আমার ওয়ার্ডের কোনো নাগরিককে ইউনিয়ন পরিষদের যেকোনো সেবা পেতে গিয়ে সামান্যতম হয়রানির শিকার হতে হবে না, কিংবা কোনো প্রকার বাড়তি টাকা বা ঘুষ দিতে হবে না।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি সেবা — তা জন্ম নিবন্ধন হোক, চারিত্রিক সনদ হোক বা সরকারি ভাতা — সবই হবে জনগণের ন্যায্য অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করতে আমার দফতরে থাকবে-
১০০% স্বচ্ছতা: প্রতিটি সেবার জন্য নির্ধারিত ফি (যদি থাকে) প্রকাশ্যে প্রদর্শিত হবে।
দ্রুততা ও জবাবদিহিতা: অযথা ফাইল আটকে রাখা হবে না এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে এর তদারকি করব। আপনারা ভরসা রাখুন। আমি চাই এই ওয়ার্ড হোক দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব সেবার মডেল।
তারুণ্যের ঐক্যবদ্ধ সমর্থন: এলাকার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী এবং নবীন পেশাজীবীদের নিয়ে গঠিত একটি স্বেচ্ছাসেবী দল শহিদুল ইসলামের প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। তাদের মতে, "আমরা এমন একজন নেতৃত্ব চাই যিনি অতীতের পুরনো ভুলগুলো শুধরে ভবিষ্যতে দিকে তাকাতে শেখাবেন। শহিদুল ইসলাম আমাদের কথা বোঝেন এবং আমাদের সমস্যা সমাধানের জন্য বাস্তবসম্মত সমাধান নিয়ে এসেছেন।"
নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, মো. শহিদুল ইসলামের এই সময়োপযোগী এবং তরুণ-কেন্দ্রিক মনোভাব তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। যদি এই তারুণ্যের উদ্দীপনা ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হয়, তবে স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন ধারার সূচনা হতে পারে।