ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
আওয়ামী লীগকে সমর্থন যোগানো শীর্ষ ২৫ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ অবশেষে পদোন্নতির মুখ দেখলেন স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের রোষানলের শিকার মোঃ মনির হোসেন বড়লেখায় জোড়া খুনের মামলার আসামীর পরিবারের সংবাদ সম্মেলন নওগাঁয় জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত মুহাম্মদ আবদুল করিম কালীগঞ্জে ২৫০ বছরের ঐতিহ্যবাহী জামাই মেলায় মানুষের ঢল শার্শায় "সমবায়ে গড়ছি দেশ, বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ" শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে জাল দলিল চক্রের এক সদস্য আটক চাঁদপুরে হাজীগঞ্জে মদিনা টাইলস্ এন্ড স্যানিটারীর উদ্বোধন খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মৌলভীবাজারে দোয়া মাহফিল পোরশায় নারীসহ ওয়ারেন্টের সাত আসামী আটক

আওয়ামী লীগকে সমর্থন যোগানো শীর্ষ ২৫ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

#

নিশাত শাহরিয়ার

১৫ জানুয়ারি, ২০২৬,  12:08 AM

news image

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহায়তা করায় দেশের শীর্ষ ২৫ ব্যবসায়ীর বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহায়তা করায় দেশের শীর্ষ ২৫ ব্যবসায়ীর বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ)। অভিযোগটিতে অজ্ঞাতনামা আরো ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গতকাল দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা দেন বৈষম্যবিরোধীদের লিগ্যাল সেলের সম্পাদক মোতাসিম বিল্লাহ মাহফুজ। পরে সংগঠনটির সভাপতি রিফাত রশিদ সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ব্যবসায়ীরা হলেন সালমান ফজলুর রহমান (বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা), মাহবুব আলম (এফবিসিসিআইয়ের তৎকালীন সভাপতি), এসএম মান্নান কচি (বিজিএমইএর তৎকালীন সভাপতি), মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান), নজরুল ইসলাম মজুমদার (নাসা গ্রুপ ও এক্সিম ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান), মো. হেলাল উদ্দিন (দোকান মালিক সমিতির তৎকালীন সভাপতি), মো. হাতেম (বিকেএমইএর তৎকালীন নির্বাহী সভাপতি), নাসিম মঞ্জুর (এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান), আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলম (বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান), মো. সানি (প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী), এ কে আজাদ (হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক), আনোয়ার পারভেজ (বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী), আব্দুল মোতালেব (এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক), বজলুর রহমান (এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক), প্রীতি চাকমা (এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক), হাবিবুল্লাহ ডন (বারভিডার সভাপতি), জহিরুল ইসলাম জহির (বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির মহাসচিব), বিএম ইউসুফ আলী (বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট), মোস্তফা কামাল (মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান), মোহাম্মদ আলী খোকন (ম্যাকসন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান), আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ (নর্দান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান), ওবায়দুল করিম (ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান) ও আ হ ম মুস্তফা কামাল (সাবেক অর্থমন্ত্রী, লোটাস কামাল গ্রুপের চেয়ারম্যান)।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই ইন্টারনেট শাটডাউন চলাকালে এসব ব্যবসায়ী তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে আন্দোলন দমনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি ও সার্বিকভাবে পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন তারা।

রিফাত রশিদ বলেন, ‘এই আওয়ামী টাকায় এখনো আমার ভাই শরিফ হোসেন বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই আওয়ামী লীগের টাকায় এখনো আমার বোনদের অনলাইনে এতটা বিচ্ছিরিভাবে হ্যারাসমেন্ট করা হয়, লাঞ্ছিত করা হয় যে তারা সুইসাইড করতে বাধ্য হচ্ছে।’