ঢাকা, লোড হচ্ছে...
সংবাদ শিরোনাম
কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত লাকসামে দৌলতগঞ্জ মহিলা এতিমখানার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা পীরগঞ্জে পৌর ভবনের বারান্দার ছাদ ধসে দুই শ্রমিক নিহত, আহত ৪ বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগ শ্রীমঙ্গলের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ ডিএমপির সেপ্টেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ সভায় শ্রেষ্ঠ হলেন যারা বেনাপোলে আবু তাহের ভারতকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে পৌর বিএনপির সংবাদ সম্মেলন পীরগঞ্জে পরিত্যক্ত কলাগাছের কান্ড দিয়ে তৈরি হচ্ছে মূল্যবান ফাইবার পোরশায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ও প্রশমন দিবস পালিত কালাইয়ে দুর্গাপূজা ঘিরে প্রস্তুতি সভা, নিরাপত্তা ও সম্প্রীতি রক্ষায় গুরুত্ব ডেঙ্গু-হাম মোকাবিলায় অব্যবস্থাপনা বন্ধ করুন: এবি পার্টি

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ওয়াসার নষ্ট মিটারের বিল পরিশোধ নিয়ে চরম বিপাকে গ্রাহকরা

#

ইরফান হোসেন (পটিয়া প্রতিনিধি)

৩১ আগস্ট, ২০২৬,  3:40 PM

news image

কারও মিটার আট মাস ধরে নষ্ট আবার কারও কাছে এক বছর পর লাখ টাকার বিল আসায় প্রতিদিন পটিয়া ওয়াসা কার্যালয়ে ভিড় করছেন ভুক্তভোগীরা। গত এক সপ্তাহে অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে তিন শতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে বলে ওয়াসা সূত্র জানিয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (ওয়াসা) ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পটিয়ায় কার্যক্রম শুরু করে।এরপর থেকে চলতি মাস পর্যন্ত পটিয়া পৌরসভার ৮টি ওয়ার্ডে আড়াই হাজারের বেশি সংযোগ দেওয়া হয়েছে।

চলতি আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে গ্রাহকদের কাছে বিল দেওয়া শুরু করে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ এবং এরপর থেকেই অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ আসতে শুরু করে।

রোববার অফিস খোলার দিন সকালে পটিয়ার ইন্দ্রপুল এলাকায় অবস্থিত ওয়াসা কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ জানাতে আসা গ্রাহকদের ভিড় দেখা যায়।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাসাসের সেক্রেটারি ও পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাছির উদ্দীন জানান, তার বাড়ির ওয়াসার মিটারটি আট মাস ধরে নষ্ট। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এবং সম্প্রতি তাকে ৬০ হাজার টাকার বেশি বিল দেওয়া হয়েছে বলে নাছির উদ্দীন উল্লেখ করেন।

পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দু তালুকদারদের বাড়ির বাসিন্দা শাহনাজ আক্তার জানান, সংযোগ নেওয়ার পর থেকে তিনি কোনো বিল পাননি।

কয়েক দিন আগে তাকে একসঙ্গে ১০ হাজার ৮৬১ টাকার বিল দেওয়া হয়েছে। স্বামীহারা শাহনাজ আক্তার এত টাকা একসঙ্গে কীভাবে পরিশোধ করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সামছুল আলম অভিযোগ করেন, সংযোগ নেওয়ার পর অনেকবারই ওয়াসা কার্যালয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেও তাকে বিল দেওয়া হয়নি।

এক বছর পর তাকে এক লাখ এক হাজার ৭২০ টাকার বিল দেওয়া হয়েছে বলে সামছুল আলম জানান। একই অভিযোগ করেন পল্লী বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসিন্দা আহমদ নবী। তাকে ৮৮ হাজার ২৬৮ টাকার বিল দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পটিয়া ওয়াসার রাজস্ব তত্ত্বাবধায়ক মো. সালাহ উদ্দিন জানান, এ পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযোগে তিন শতাধিক বিল জমা নেওয়া হয়েছে। এসব বিল কিস্তির মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য সহজভাবে পরিশোধের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মো. সালাহ উদ্দিন।

গ্রাহকদের অভিযোগ প্রসঙ্গে পটিয়া ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া শাকিল জানান, নিচু স্থানে বসানোর কারণে অনেক মিটারের পানি ঢুকে নষ্ট হয়েছে এবং সেগুলো অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে তিনি জানান, রাজস্ব বিভাগ বিলের বিষয়গুলো দেখে থাকে। তারপরও গ্রাহকদের সুবিধাজনকভাবে বিল পরিশোধের সুযোগ দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া শাকিল আরও জানান, ওয়াসার নিয়ম অনুযায়ী সংযোগ নেওয়ার পর মিটার বসে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন এক ইউনিট হিসেবে বিল যুক্ত হয় এবং পানি ব্যবহার না করলেও গ্রাহককে এই বিল পরিশোধ করতে হয়।

logo

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো: ইমাম হোসেন